তারুণ্য একটা
ভীষণ
অন্যরকম সময়।
এই
তারুণ্যেই আমরা
যেমন
জীবন
গড়ার
প্রথম
ধাপগুল
ফেলি,
একই
সাথে
করে
ফেলি অনেক বড় বড়
ভুল।
তরুণ
বয়সে
হৃদয়
যেন
অনেক
বেশি
উষ্ণ
হয়ে
থাকে,
আবেগ
গুলো
থাকে
টগবগে।
মনে
হয়
বুশি
বিশ্ব
জয়
করে
ফেলা
যায়।
কিন্তু
এই
তারুণ্যেই আমরা
না
বুঝে
এমন
অনেক
ভুল
করে
ফেলি,
যেগুলোর মাসুল
দিতে
হয়
সারাটা
জীবন।
সেই
ভুলগুলো আজীবনের জন্য
বদলে
দেয়
একজন
মানুষের জীবন।
আসুন,
জানি
তারুণ্যের বিশাল
৭টি
ভুল
সম্পর্কে।
Moaha UP Web Portal-মাওহা ইউপি ওয়েব পোর্টালের সকল পেইজ
Search this website
বিনোদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিনোদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গৌরীপুরের গর্ব শামীম বয়াতী
নাম: মোঃ শামীম মিয়া
পিতা: মোঃ আবুল কাশেম
মাতা: মোছাঃ ছুলেমা খাতুন
জন্ম তারিখ: ১২ ফেব্রুয়ারী ১৯৮১
জন্মস্থান: গিধাউষা (গৌরীপুর),ময়মনসিংহ।
সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক(আত্মত্যাগ সাহিত্য সাময়িকী)
পরিচিত: শামীম বয়াতী নামেই
ছোটবেলা থেকেই এই ছেলেটির বাউলিয়া নাগাতের
গানে অনেক টান। এ জন্য তিনি ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেছেন একজন বাউল শিল্পী ও বয়াতী।শামীম বয়াতী
নামে অত্র এলাকায় সবাই এক নামে চিনে। উল্লেখযোগ্য শামীম বয়াতী বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিভিন্ন
অনুষ্ঠানে তিনি বহুবার গান পরিবেশন করেছেন। উল্লেখযোগ্য মহুয়া,মলুয়া, নজরুল এবং বাংলার
রুপ নিয়েও করেছেন বহু কিচ্ছা পালা। তিনি গাজীর গানও পরিবেশন করে থাকেন। তিনি অনেক পালা
গান জানেন। যেমন-মহুয়া, মলুয়া, মতিলাল বাদশাহ, কমলা, সুন্দরমতি আমির সাধু, দেওয়ানা, ভাবনা, গোলে হরমুজ, এমরান চন্দ্রবান ইত্যাদিসহ আরো
অনেক।শামীম বয়াতী তার চুলের ঝাকুনী ও বয়াতীর ঢঙে একজন নামী দামী শিল্পী হিসেবে তিনি
ময়মনসিংহ এলাকায় পরিচিত।শামীম বয়াতী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও বিভিন্ন জলসায় সঙ্গীত পরিবেশন
করে থাকেন।যে কোন বাউলিয়া নাগাতের গানে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গান করে বেড়ান।শামীম বয়াতীর
কয়েকটি কিচ্ছা প্রচারিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ টেলিভিশন’সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। বর্তমানে তিনি
কুদ্দুস বয়াতীর শিষ্য।
যোগাযোগে
মোঃ শামীম বয়াতী
ঠিকানা: গিধাউষা (গৌরীপুর), ময়মনসিংহ
মোবাইল:০১৯৫৩-৪১৪৬২০/০১৭২৯-৯৫৯৭০৮
ই-মেইল: shamim.boyati@yahoo.com
ফেইসবুক: শামীম বয়াতী
তার কিছু কিচ্ছা পালা শুনতে
এখানে ক্লিক করুন।৯ কারণে ঘটতে পারে গর্ভপাত
নারীর জীবনের সবচেয়ে
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার
একটি
গর্ভপাত। এ
ঘটনা
তার
সঙ্গীর
কাছেও
দারুণ
বেদনাদায়ক। আমেরিকার সাম্প্রতিক এক
গবেষণায় বলা
হয়,
১০-২৫ শতাংশ গর্ভবতী নারীর
গর্ভাবস্থায় ২০
সপ্তাহের আগেই
গর্ভপাত ঘটে।
এই
দুঃখজনক ঘটনার
৯টি
কারণ
জেনে
নিন।
১. জিন বা ক্রোমোজমে অস্বাভাবিকতা : বেশির ভাগ গর্ভপাত ঘটে জেনেটিক বা ক্রোমোজম ঘটিত কারণে। এগুলো ডাউন সিনড্রোম, সিস্টিক ফিবোরোসিস বা টারনার সিনড্রোম নামে পরিচিত। শারীরবৃত্তীয় কারণে ক্রোমোজম ভুল পথে পরিচালিত হয়। মূলত গর্ভপাত ঘটলে চিকিৎসককে এর কারণ খোঁজার দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
২. শুক্রাণুর ডিএনএ গঠন : গর্ভপাতের আরেকটি কারণ হতে পারে, শুক্রাণু সুষ্ঠুভাবে ভেঙে ডিম্বাণুকে ডিএনএ সরবরাহ করতে পারে না। শুক্রাণুতে এ ধরনের সমস্যা থাকলে গর্ভপাত ঘটতে পারে।
৩. হরমোন : নারীর দেহে প্রোজেস্টেরন হরমোনের অভাবের কারণে সুষ্ঠু গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে।
৪. স্থুলতা : আমেরিকার সিডিসি ন্যাশনাল সেন্টার ফর হেলথ স্ট্যাটিস্টিকস-এর এক জরিপে বলা হয়, প্রতি চার জন নারীর মধ্যে একজন গর্ভধারণের আগেই স্থুলকায় হয়ে যান। এটি গর্ভপাতের অন্যতম কারণ হতে পারে।
৫. ব্যালেন্সড ট্রান্সলোকেশন ক্যারিয়ার : এমন ঘটে যখন নারী-পুরুষের উভয়ের জিনের ভুল অবস্থানে থাকে। কোষ বিভাজন এবং শুক্রাণু ও ডিম্বাণু প্রস্তুতের আগে জিনগত অবস্থান সাধারণত ঠিকঠাক হয় না।
৬. জরায়ুর অস্বাভাবিকতা : জরায়ুতে জেনেটিক সমস্যা থেকে থাকলেও গর্ভপাতের আশঙ্কা রয়েছে। সাধারণত জরায়ুতে বাড়তি একটা টিস্যু জন্মে যাকে বলা হয় সেপটাম। এতে রক্তপ্রবাহের প্রক্রিয়া জরায়ুর অন্যান্য অংশ অপেক্ষা ভিন্ন থাকে। যদি সেপটামে জায়গট গঠন হয়, তবে গর্ভপাতের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়।
৭. অ্যান্টিফসফোলিপিড সিনড্রোম : এটা এমন এক অবস্থা যখন অ্যান্টিফসফোলিপিড অ্যান্টিবডি রক্তকে থিকথিকে তরলে জমাট করে ফেলে। এটা গর্ভাশয়ে জাইগোট গঠনে বাধা সৃষ্টি করে এবং গর্ভপাতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
৮. মাদক ও বিষাক্ত উপাদান : ধূমপান, অ্যালকোহলে আসক্তি এবং অন্যান্য মাদকের ব্যবহারে গর্ভপাত ঘটে।
৯. সংক্রমণ : মাইক্রোপ্লাজমা এমন এক ধরনের সংক্রমণ যা জরায়ুর লাইনিংয়ে আক্রমণ করে। এতে বাড়তি কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয় না। কিন্তু এটা গর্ভপাত ঘটাতে পারে।
সূত্র : ফক্স নিউজ
১. জিন বা ক্রোমোজমে অস্বাভাবিকতা : বেশির ভাগ গর্ভপাত ঘটে জেনেটিক বা ক্রোমোজম ঘটিত কারণে। এগুলো ডাউন সিনড্রোম, সিস্টিক ফিবোরোসিস বা টারনার সিনড্রোম নামে পরিচিত। শারীরবৃত্তীয় কারণে ক্রোমোজম ভুল পথে পরিচালিত হয়। মূলত গর্ভপাত ঘটলে চিকিৎসককে এর কারণ খোঁজার দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
২. শুক্রাণুর ডিএনএ গঠন : গর্ভপাতের আরেকটি কারণ হতে পারে, শুক্রাণু সুষ্ঠুভাবে ভেঙে ডিম্বাণুকে ডিএনএ সরবরাহ করতে পারে না। শুক্রাণুতে এ ধরনের সমস্যা থাকলে গর্ভপাত ঘটতে পারে।
৩. হরমোন : নারীর দেহে প্রোজেস্টেরন হরমোনের অভাবের কারণে সুষ্ঠু গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে।
৪. স্থুলতা : আমেরিকার সিডিসি ন্যাশনাল সেন্টার ফর হেলথ স্ট্যাটিস্টিকস-এর এক জরিপে বলা হয়, প্রতি চার জন নারীর মধ্যে একজন গর্ভধারণের আগেই স্থুলকায় হয়ে যান। এটি গর্ভপাতের অন্যতম কারণ হতে পারে।
৫. ব্যালেন্সড ট্রান্সলোকেশন ক্যারিয়ার : এমন ঘটে যখন নারী-পুরুষের উভয়ের জিনের ভুল অবস্থানে থাকে। কোষ বিভাজন এবং শুক্রাণু ও ডিম্বাণু প্রস্তুতের আগে জিনগত অবস্থান সাধারণত ঠিকঠাক হয় না।
৬. জরায়ুর অস্বাভাবিকতা : জরায়ুতে জেনেটিক সমস্যা থেকে থাকলেও গর্ভপাতের আশঙ্কা রয়েছে। সাধারণত জরায়ুতে বাড়তি একটা টিস্যু জন্মে যাকে বলা হয় সেপটাম। এতে রক্তপ্রবাহের প্রক্রিয়া জরায়ুর অন্যান্য অংশ অপেক্ষা ভিন্ন থাকে। যদি সেপটামে জায়গট গঠন হয়, তবে গর্ভপাতের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়।
৭. অ্যান্টিফসফোলিপিড সিনড্রোম : এটা এমন এক অবস্থা যখন অ্যান্টিফসফোলিপিড অ্যান্টিবডি রক্তকে থিকথিকে তরলে জমাট করে ফেলে। এটা গর্ভাশয়ে জাইগোট গঠনে বাধা সৃষ্টি করে এবং গর্ভপাতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
৮. মাদক ও বিষাক্ত উপাদান : ধূমপান, অ্যালকোহলে আসক্তি এবং অন্যান্য মাদকের ব্যবহারে গর্ভপাত ঘটে।
৯. সংক্রমণ : মাইক্রোপ্লাজমা এমন এক ধরনের সংক্রমণ যা জরায়ুর লাইনিংয়ে আক্রমণ করে। এতে বাড়তি কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয় না। কিন্তু এটা গর্ভপাত ঘটাতে পারে।
সূত্র : ফক্স নিউজ
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
